
শেষবার ২০১১ সালে জনগণনা হয়েছিল। তার দীর্ঘ ১৫ বছর পর ২০২৬ সালে ফের জনগণনা হতে চলেছে দেশে। দুই দফায় হবে জনগণনা। সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমনটাই জানাল কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে প্রথম দফায় লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে জনগণনা শুরু হবে। অন্যদিকে, ২০২৭ সালের ১ মার্চ মধ্যরাত থেকে দেশের বাকি রাজ্যগুলিতে শুরু হবে জনগণনা।
জনগণনার প্রথম ধাপে পারিবারিক আয়, সম্পদের পরিমাণ, আবাসন বা বাড়ির পরিস্থিতি এবং সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এবারের জনগণনা পুরোটাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। এই প্রথমবার জনগণ বাড়িতে বসেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। দ্বিতীয় ধাপে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আর্থ-সামাজিক-সহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। গত মাসেই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়,এবার প্রথমবার জনগণনার সঙ্গে জাতিগত জনগণনাও করা হবে। এবার তিনটি বিষয়ের উপর জনগণনা হবে। এক, বাড়িতে ব্যক্তিসংখ্যা, তাদের আবাস সংখ্যা ও এক আবাসে কতজন বসবাস করেন সেটা। অর্থাৎ দেশের জনসংখ্যার পাশাপাশি কটি বাড়ি রয়েছে তাও গণনার আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে জাতি জনগণনাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের তরফে দাবি করা হচ্ছিল। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রের খবর, জাতিগত জনগণনা অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে এবারের জনগণনা প্রক্রিয়াটা বেশ দীর্ঘ হতে চলেছে। আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রশ্নসংখ্যা যোগ করা হচ্ছে জনগণনার সমীক্ষায়। যার ফলে খরচও বাড়বে।
উল্লেখ্য প্রতি ১০ বছর অন্তর আদমশুমারি হয়ে থাকে। কিন্তু ২০১১-র পর এ দেশে আর জনগণনা হয়নি। ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা থাকলেও করোনার জেরে সেটা পিছিয়ে দেওয়া হয়। শোনা গিয়েছিল, ২০২৩ সালে তা হতে পারে। কিন্তু ভোটের আগে সে পথে হাঁটেনি মোদি সরকার। সব মিলিয়ে মোদি জমানায় একবারও জনগণনা হয়নি। অবশেষে গত বছর জনগণনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে কেন্দ্র।









