সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সুলতানা বেগম নামের মহিলার দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। মহিলা নিজেকে মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের বংশধর বলে দাবি করেছিলেন এবং লাল কেল্লার দখল চেয়েছিলেন। মহিলার আবেদনকে সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণার আখ্যা দিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি পিভি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানায়, ”শুধু লালকেল্লা কেন? ফতেপুর সিক্রিই বা নয় কেন? এগুলিকে ছেড়ে দিচ্ছেন কেন?” আবেদন সম্পূর্ণ ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করা এবং আদালত সেটা খারিজ করে দিচ্ছে বলেই জন্য বেঞ্চ।
১৩ই ডিসেম্বর ২০২৪ দিল্লির লাল কেল্লার দখল চেয়ে সুলতানা বেগমের আবেদন আগেই খারিজ করে দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। তিনি নিজেকে বাহাদুর শাহ জাফর দ্বিতীয়ের প্রপৌত্রীর বিধবা হিসেবে দাবি করে এই আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত মনে করেছিল আবেদনটি অনেক দেরিতে করা হয়েছে এবং যথোপযুক্ত সময়সীমা অতিক্রম করেছে, তাই সেটা খারিজ করা হয়েছে। এর আগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বিভু বাখরু এবং বিচারপতি তুষার রাও গেদেলার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সুলতানা বেগমের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। আবেদনকারী যুক্তি দিয়েছিলেন ১৮৫৭ সালে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তার পরিবারকে তাদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছিল। এরপর বাহাদুর শাহ জাফরকে নির্বাসিত করা হয়েছিল এবং মুঘলদের থেকে লাল কেল্লা দখল করা হয়েছিল। বেগম একক বিচারকের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করলে তখন দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও তার আবেদনটি খারিজ করে দেয় কারণ তিনি দুই বছরেরও পরে আবেদন জানিয়েছিলেন যা স্বাভাবিক নিয়ম বিরুদ্ধ।










