আধাসেনার পর শনিবার রাতে ডিজিপি রাজীব কুমার নিজে গিয়েছিলেন জেলায়। আজ রবিবার জেলার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার জানালেন, ”মুর্শিদাবাদের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।” সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে এদিন তিনি বলেন, ‘‘গুজবে কান দেবেন না।’’ শনিবার ৭১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এলাকায় টহলদারি চলবে এখন। কোনও সমস্যা থাকলে জঙ্গিপুর জেলার সুপারকে ফোন করার কথাও জানানো হয়েছে। এদিন ডিজি জানান, ‘‘মুর্শিদাবাদের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। সকলকে অনুরোধ করব,গুজবে কান না দেবেন না। প্রত্যেকে সতর্ক থাকুন। কোনও রকম খবর পেলে পুলিশকে জানান।’’
সংশোধিত ওয়াকফ আইন বাতিলের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু এলাকা। সামসেরগঞ্জ, সুতি, ধুলিয়ানে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। শনিবার রাতে সেখানে গিয়েছিলেন ডিজি। তিনি বিএসএফের সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন। তারপরেই জেলার ক্ষতিগ্রস্ত সব এলাকায় নেমে রুটমার্চ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে রয়েছে বিশাল পুলিশের বাহিনীও। রবিবার মুর্শিদাবাদে পৌঁছেছেন বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি করণি সিংহ শেখাওয়াত। জানা গিয়েছে যত দিন পুলিশ চাইবে, তত দিনই বিএসএফ মোতায়েন থাকবে ওই এলাকায়। জওয়ানদের আরও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’ অশান্তির কারণে যাঁরা ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন তাঁদের সব রকম সাহায্য করছে পুলিশ। তাঁরা ফিরতে চাইলে সব রকম ভাবে সাহায্যের জন্য প্রস্তুত পুলিশ।










