বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাস্তি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আদালত অবমাননার একটি মামলায় তাঁকে ছ’মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে সশ্রম নয়, বিনাশ্রম। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের বেঞ্চ। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি মহম্মদ গোলাম মর্তুজা মজুমদার। গণ অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে বহু মামলা দায়ের হয়েছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। তার মধ্যে প্রথম কোনও মামলায় সাজা ঘোষণা করল বাংলাদেশের আদালত। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কণ্ঠস্বর ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে শোনা যায় – ২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি – এমন কথা বলতে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রধান সরকারি আইনজীবী তাজুল ইসলাম এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় বুধবার শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম দাবি করেন, সেই অডিও এআই দিয়ে তৈরি নয়। সেই শুনানির প্রেক্ষিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই ধরনের বক্তব্যে ভীতি ও আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। মূলত বিভিন্ন মামলার বাদী, সাক্ষী, তদন্তকারী কর্মকর্তাদের খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে। তাতে কার্যত বিচারপ্রক্রিয়াকে পক্ষপাতদুষ্ট করে তোলা হচ্ছে।এই পর্যবেক্ষণের পরই হাসিনার বিনা শ্রমে ছয় মাসের কারাদণ্ডের ঘোষণা করা হয়। যেদিন তিনি আত্মসমর্পণ করবেন সেদিন থেকে শাস্তি শুরু হবে বলে জানান বিচারপতি। সেই সঙ্গে আরেক অভিযুক্ত গাইবান্ধার শাকিল বুলবুলের বিনা শ্রম দুইমাসের কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়।

আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী
আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী ।বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার গোকনা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আলামিন মন্ডল নামে বাগদা থানার









