খড়দার তরুণীকে নিগ্রহের ঘটনায় অভিযুক্ত শ্বেতা খানের মাকে এবার আটক করল পুলিশ। মেয়েকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। এক পরিচিতের বাড়ি থেকে শ্বেতা খানের দ্বিতীয়পক্ষের মেয়েকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার অবস্থার অবনতি হওয়ায় নির্যাতিতা তরুণীকে ICUতে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাঁকড়ায় শ্বেতা খানের ফ্ল্যাটের পাশেই থাকেন তাঁর মা। মঙ্গলবার প্রৌঢ়াকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জানা গিয়েছে তারপরেই তাঁকে আটক করা হয়। তরুণীকে নির্যাতনের খবর প্রকাশ্যে আসতে মেয়েকে পালাতে সাহায্য করেন তিনি। সম্ভবত ভিনরাজ্যে পালিয়েছে শ্বেতা ও তাঁর ছেলে আরিয়ান খান। তাঁরা মুম্বইয়ে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
বুধবার শ্বেতা খানের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাতে পারেন গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার এক পরিচিতের বাড়ি থেকে শ্বেতা খানের দ্বিতীয় পক্ষের নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আপাতত তাঁকে সরকারি হোমে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে। পালানোর আগে মেয়েকে ওই পরিচিতের কাছে রেখে গিয়েছিলেন শ্বেতা খান।
সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে নির্যাতিতা তরুণীর আঘাত বেশ গুরুতর। তাঁর পেটেও বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে।










