দুর্গাপুরে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা। তার আগে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা। তবে এই সফরকে কেন্দ্র করেও একজোট হতে পারল না বঙ্গ বিজেপি। দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল। দিলীপ ঘোষ যাচ্ছেন না সভায়। বদলে দলীয় কাজে শুক্রবার সকালে দিল্লি গেলেন দিলীপ।শুক্রবার দুর্গাপুরের নেহেরু স্টেডিয়ামে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর আড়াইটেয় শুরু হবে সভা। থাকবে দুটি মঞ্চ। একটি সরকারি ও আরেকটি জনসভার। মাঠে বৃষ্টি ও কাদা ঢাকতে তৎপর কর্মীরা। দফায় দফায় প্রস্তুতির শেষ পর্ব দেখছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার বিকেলে সভাস্থল পরিদর্শন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সমস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। সূত্রের খবর, অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে ১৫ কিলোমিটার। সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন সেরে সভা শুরু করবেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই বঙ্গ সফর যে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্লাটফর্ম তৈরি করবে তা স্পষ্ট করেছেন শমীক। তিনি বলেন, “দুর্গাপুরের চেহারা এক বছরের মধ্যে বদল হবে। রাজ্য ও কেন্দ্র যৌথভাবে পথ দেখাবে দুর্গাপুর। রাজ্যে শিল্প সম্ভাবনা তৈরি হবে। সার্ভিস সেক্টর ছাড়া দুর্গাপুরে কোনও বিনিয়োগ নেই। কেন্দ্র পরিকাঠামো তৈরি করবে।” এদিকে এই সভায় যাচ্ছেন না দিলীপ ঘোষ। বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমকে সভায় আমন্ত্রণ না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন দিলীপ। সঙ্গে এও জানিয়েছেন দলের কাজে তিনি দিল্লি চলে যাচ্ছেন। দিলীপের এই বক্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বঙ্গ বিজেপির দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব যে এর ফলে আরও একবার প্রকাশ্যে এসে গেল তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দলের ফাটল চওড়া করে এয়ারপোর্টে বলে গেলেন, “আমাকে কর্মীরা ডেকেছিলেন। তাই হ্যাঁ বলেছিলাম। পার্টি ডাকেনি। হয়তো পার্টি চায় না আমি যাই। আমি গেলে হয়তো অস্বস্তি হবে। তাই আমি দুর্গাপুর যাচ্ছি না। দিল্লিতে বিশেষ কাজে যাচ্ছি। পার্টিরই কাজ।” তাহলে কি বঙ্গ বিজেপিতে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়া নেতা প্রধানমন্ত্রীর সভায় নয় বরং চলতি মাসেই হাইভোল্টেজ অন্য কোনও সভা মঞ্চে উপস্থিত থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন?

আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী
আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী ।বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার গোকনা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আলামিন মন্ডল নামে বাগদা থানার









