
সাত পাকে বাঁধা পড়লেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং পুরীর বিজু জনতা দলের প্রাক্তন সাংসদ পিনাকী মিশ্র। ৬৫ বছরের পিনাকী এবং ৫১ বছরের মহুয়া দু’জনেরই এটি দ্বিতীয় বিবাহ। খেলোয়াড়, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিদেশে বা দেশের কোনও প্রাচীন প্রাসাদ-কেল্লায় ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ নতুন নয়। কিন্তু দুই রাজনীতিকের এহেন বিবাহ দেশে বিরল। যদিও একে সে ভাবে ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ বলা যায় না। ভিড়ভাট্টা এড়াতেই নাকি বার্লিনের প্রাসাদকে বেছে নেওয়া বলে জানিয়েছেন যুগলের ঘনিষ্ঠমহল। আপাতত পিনাকী-মহুয়া ইউরোপে মধুচন্দ্রিমা যাপনে ব্যস্ত।
দুজনের বন্ধুত্ব গত কয়েক বছরের। ঘনিষ্ঠেরা জানতেনও, চার হাত এক হবে। গত ৩০ মে, শুক্রবার জার্মানির বার্লিন প্রাসাদের ছাদে পুরীর প্রাক্তন সাংসদ পিনাকী মিশ্রের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।তিনি যে পিনাকীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন, তা তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলেন মহুয়া। তাঁর কাছ থেকে ‘ছুটি’ নিয়েই তিনি বিবাহ উপলক্ষে বিদেশে যান। জুন মাসের শেষে পিনাকী এবং মহুয়ার দেশে ফেরার কথা।
উল্লেখ্য ইতিপূর্বে ডেনমার্কের অর্থনীতিবিদের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মহুয়া মৈত্রর। তবে পরবর্তীতে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি ফের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন। এবার জীবনসঙ্গী হিসেবে তিনি বেছে নিলেন এক রাজনীতিবিদকেই। পুরীর চারবারের প্রাক্তন সাংসদ পিনাকী মিশ্র বর্তমানে মহুয়ার স্বামী। তাঁদের দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন ঘনিষ্ঠরা।









