হোয়াটসঅ্যাপে পাঁচ লক্ষ টাকার মাদক অর্ডার দিয়ে পুলিশের জালে হায়দরাবাদের চিকিৎসক। এদিন মাদক চিকিৎসকের কাছে পৌঁছনোর আগেই বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। চিকিৎসক নম্রতা চিগুরুপতি ওই শহরের ওমেগা হাসপাতালের সিইও পদে কর্মরত ছিলেন। বয়স ৩৪। তবে ছয় মাস আগে সেই পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেন।
মুম্বইয়ের এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার কোকেন অর্ডার করেছিলেন এই চিকিৎসক। হায়দরাবাদের রায়াদুরগামে কুরিয়ারের মাধ্যমে পৌঁছে এই কোকেন দেওয়ার কথা ছিল। তখনই হাতেনাতে ধরা পড়েন তিনি। নম্রতা হোয়াটসঅ্যাপে মুম্বইয়ের ভানস ঢাক্করের সঙ্গে যোগাযোগ করে মাদকের অর্ডার দেন এবং অনলাইনের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা শোধ করেন। পুলিশের মতে, নম্রতা স্বীকার করেছেন যে স্পেনে এমবিএ করার সময় তিনি কোকেনের আসক্তিতে ভুগছিলেন। তদন্তকারীদের তিনি জানিয়েছেন যে ২০১৭ সালে কোচির অমৃতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেডিয়েশন অনকোলজিতে এমডি করার পর তিনি স্পেনে চলে যান, যেখানে তিনি মাঝেমধ্যে সপ্তাহান্তে বন্ধুদের সাথে কোকেন সেবন করতেন। ভারতে ফিরে আসার পরও তিনি মাদক সেবন চালিয়ে যান। ৪ মে, সে বংশকে ৫০ গ্রাম কোকেন চেয়ে টেক্সট করেন। ৮ মে, বালকৃষ্ণ পূর্বনির্ধারিত স্থানে মাদক পৌঁছে দেয়, যেখানে হস্তান্তরের সময় পুলিশ তাদের দুজনকেই গ্রেফতার করে।
ইতিমধ্যেই মাদকদ্রব্য আইনের অধীনে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই চিকিৎসক স্বীকার করেছেন, তিনি প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা মাদকের পেছনে খরচ করেছেন।










