রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা এবং জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার আধিকারিকদের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জের অন্তর্গত ধুলিয়ান এবং সংলগ্ন এলাকায়। অযাচিত এই আন্দোলনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে মুর্শিদাবাদ জেলায় রয়েছেন রাজ্যে পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। এখনও মুর্শিদাবাদ জেলায় এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার সহ রাজ্য পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিকেরা উপস্থিত আছেন।
সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। খুলতে শুরু করেছে দোকানপাট। সোমবার সকালে এডিজি(দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার ,জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় সহ পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিকেরা ধুলিয়ান এলাকায় পায়ে হেঁটে ঘুরে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরানোর জন্য পদক্ষেপ করেন। বিএসএফ এবং অন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সামশেরগঞ্জ এবং সংলগ্ন এলাকায় টহলদারী চালাচ্ছেন। সোমবার সকাল থেকে নতুন করে আর কোনও অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি।
জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় এই মর্মে জানিয়েছেন,’ এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্য পুলিশ যৌথভাবে টহলদারি চালাচ্ছে। অশান্তির ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় ২০০ বেশি দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিছু এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি করা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ পিকেট করা হয়েছে ,মোটরসাইকেল করে পুলিশ পেট্রলিং চলছে এবং কনভারের মাধ্যমে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছে।’
অন্যদিকে এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার সোমবার সামশেরগঞ্জ থানায় দাঁড়িয়ে বলেন,’ ধুলিয়ান এবং সংলগ্ন এলাকার পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতিটি জায়গায় আমাদের বাহিনী রয়েছে এবং সিনিয়র অফিসাররা সেখানে থাকছেন। অশান্তির কারণে কিছু মানুষ যারা ধুলিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ১৯ জন গতকাল রাতেই ফিরে এসেছেন। আরও ১০০ জন শীঘ্রই ফিরতে চলেছেন। যারা ফিরে আসছেন তাদের সকলের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের ।যারা ইতিমধ্যেই ফিরে এসেছেন তারা সকলেই নিরাপদে এবং অক্ষত রয়েছেন। তাদের যেকোনও প্রয়োজনে প্রশাসন সমস্ত রকমের সহযোগিতা করবে।’










