সোনা পাচার করতে প্রতিদিনই নতুন নতুন ফন্দিফিকির করছে পাচারকারীরা।এবার বি এস এফের নজর এড়াতে সাইকেলের পিছনের চাকার টায়ারে লুকিয়ে দিব্যি সোনা পাচারের ছক করেছিল এক পাচারকারী।বাংলাদেশ থেকে আসা ওই সোনা ভারতে পাচারের ছক ছিল তাঁর।কিন্তু শেষরক্ষা হয় নি।সাইকেলের পিছনের চাকার টায়ার স্বাভাবিকের থেকে বেশি ফুলে থাকা দেখেই সন্দেহ হয় বিএসএফের ৫৯ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানদের।সাইকেল আটকে তল্লাশির সময় সুযোগ বুঝে চম্পট দেয় পাচারকারী। পরে সাইকেলের টায়ার থেকে ২০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেছে বি এস এফ।উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটের বাজার মূল্য আনুমানিক ২ কোটি ৩১ লক্ষ ২২ হাজার ৭৫৬ টাকা।উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুট গুলো প্রথমে বাগদার রনঘাট সীমান্ত ফাঁড়িতে আনা হয়। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সেগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরে হস্তান্তর করেছে বি এস এফ।এর চব্বিশ ঘণ্টা আগেই অবশ্য ভারত – বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ২ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকার সোনা উদ্ধার করেছে বি এস এফ।সব মিলিয়ে দু’দিনে মোট ৪ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকার সোনা উদ্ধার হয়েছে।বি এস এফ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিৎপুর বিওপির ৫৯ নম্বর ব্যাটালিয়নের জয়ানরা ডিউটিতে ছিলেন।ওই সময় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি সাইকেল নিয়ে সীমান্তের বেড়া পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে আসছিল। তখনই তল্লাশি চালিয়ে পাচারকারীর সাইকেলের টায়ারের ভিতর থেকে ২ কেজি ৩৬৭ গ্রাম ওজনের ২০ টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে জওয়ানরা।এই প্রসঙ্গে বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের জনসংযোগ আধিকারিক জানান,সোনা পাচার প্রতিরোধে জওয়ানরা প্রশংসনীয় ভূমিকা নিচ্ছেন।পাশাপাশিসীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সোনা চোরাচালান সম্পর্কিত যে কোনো তথ্যের জন্য বিএসএফের ‘সীমা সাথী’ হেল্পলাইনে ১৪৪১৯ নম্বরে যোগাযোগ করার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী
আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী ।বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার গোকনা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আলামিন মন্ডল নামে বাগদা থানার









