
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতার তৃণমূল ভবনে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
প্রাক্তন সাংসদ নিজেই একটা সময়ে জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী সুযোগ দিলে তিনি একসঙ্গে কাজ করতে চান। গত জানুয়ারিতে কালচিনিতে মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চে দেখা যায় তাঁকে। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান জন বার্লা। তিনি বলেন, ”দিদি আমাকে সম্মান দিয়েছেন। যে সম্মান বিজেপি কোনোদিন আমাকে দেয় নি।” কেন তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ”ছয় সাত মাস আগে থেকেই আলোচনা চলছিল। আমি চা বাগানে যেভাবে কাজ করতে চাইছিলাম সেটা হচ্ছিল না, সব জায়গায় বাধা পাচ্ছিলাম। ১৬০ কোটির হাসপাতাল বানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে আটকানো হয়েছে জনতার সেবা করা থেকে। নিজের পার্টির লোক পশ্চিমবাংলার বিরোধী দলনেতা আমাকে আটকে দেয়। আমাদের মিনিস্ট্রি থেকে ফোন করে আমাকে আটকানো হয়েছে। বার বার এভাবে আটকানো হলে কে থাকবে এমন দলে। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কারণ অনেক কাজ করেছেন তিনি। চা সুন্দরী থেকে শুরু করে অনেক কিছু করেছেন। উত্তরবঙ্গের মানুষের সঙ্গে বিজেপি বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে। সবেচেয়ে বেশি অবহেলিত চা বাগানের মানুষজন। তাই সামগ্রিকভাবে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ।”
তিনি বলেন, ”দিদি আমাদের জন্য ঘরে ঘরে সুবিধা দিচ্ছেন। গোর্খাদের স্বপ্ন আজও অধরা। আমি এখানে সবাইকে নিয়ে চলব। আদিবাসীদের ভাগ করতে চাইছে বিজেপি কিন্তু দিদি সবাইকে নিয়ে চলছেন। কন্যাশ্রী অনেক বড় যোজনা সকলের জন্য। ১০০ দিনের কাজের টাকা কিভাবে আটকানো হয়েছে আমি জানাবো। অনেক কিছু আছে। আমাকে শেষ করার চেষ্টা হচ্ছে। বিজেপির কাছে এমন কোন যোজনা নেই যেটা দেখিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাইতে পারি। দিদির কাছে সব আছে। এখন তো দুয়ারে সরকার করে দেওয়া আছে। মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। দিদির পাশে দাঁড়াতে চাই। দিদি সারাদিন মানুষের কথা ভাবেন। উনি সব কমিউনিটির সাথে আছেন। ধর্মের রাজনীতি করছে বিজেপি। আপনাদের আশীর্বাদ থাকলে একসঙ্গে কাজ করব।









