
তামিলনাড়ুর সরকারি প্রতিষ্ঠানে তল্লাশির ঘটনায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (ইডি) ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহের বেঞ্চ নিন্দা করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় এই সংস্থা তামিলনাড়ু স্টেট মার্কেটিং কর্পোরেশনের (তাসম্যাক) সদর দফতরে তল্লাশি চালিয়ে নিজেদের সব সীমা অতিক্রম করেছে। শুধু তাই নয়, সংবিধান লঙ্ঘন করেছে।
তাসম্যাকের আধিকারিকরা মদের বোতলের দাম বেশি নিচ্ছেন, টেন্ডারের কারচুপি করছেন এবং ঘুষ নিচ্ছেন এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তল্লাশি অভিযান করে ইডি। তার ফলেই ১,০০০ কোটি টাকার বেশি আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে জানানো হয়। এরপরেই ৬ মার্চ থেকে ৮ মার্চ তাসম্যাকের সদর দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ-এর অধীনে দশটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং ইডি দাবি করেছে যে টেন্ডার প্রদানের সময় প্রতারণা হয়েছে এমন ‘কারচুপি করা তথ্য’ পাওয়া গেছে।
তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের তরফে এই ঘটনার পর অভিযোগ করা হয়, ইডির এই তল্লাশি বেআইনি। তামিলনাড়ু সরকার ইডির অভিযানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মাদ্রাস হাইকোর্টে মামলা করে। তবে সেখানে মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ায় সুপ্রিম কোর্টে যায় মামলা। আর সেখানে শীর্ষ আদালতের তোপের মুখে পড়ে ইডি। শুনানির সময় ভারতের প্রধান বিচারপতি গাভাই প্রশ্ন তোলেন কীভাবে কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে এই তল্লাশি অভিযান হতে পারে? কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা? এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সব সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে। প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ ইডিকে এদিন বলে, “কোন বিশেষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন… কিন্তু কর্পোরেশন? ইডি সমস্ত সীমা অতিক্রম করছে! নোটিশ জারি করুন, ছুটির পরে ফেরতযোগ্য।” শীর্ষ আদালত ওই প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছে।









