আবারও বিজেপি রাজ্যে এক ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা প্রশ্ন তুলছে শিক্ষা ব্যবস্থার পরিকাঠামোর দিকে। রাজস্থানের উদয়পুরে এক ডাক্তারি পড়ুয়ার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। গত বৃহস্পতিবার হস্টেলের ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে। পাওয়া গিয়েছে একটি সুইসাইড নোটও। ছাত্রীটি কলেজেরই এক কর্মীর বিরুদ্ধে তাঁকে মানসিকভাবে হেনস্থা করার অভিযোগ ওই চিঠিতে করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনা সামনে আসতেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে কলেজ ক্যাম্পাসে। ডাক্তারি পড়ুয়ারা দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। কলেজ কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করে, কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারী ডাক্তারি পড়ুয়ারা।
গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ রাজস্থানের উদয়পুরের প্যাসিফিক ডেন্টাল কলেজের ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ হস্টেলের রুমে দেখতে পান সহপাঠী। দ্রুত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ডেন্টাল কলেজে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে বলে খবর। উদ্ধার হওয়া চিঠিতে ওই ছাত্রীর অভিযোগ, মানসিক ভাবে প্রায়ই ওই কর্মী তাঁকে হেনস্তা করত, টাকা চাইত। বহু ডাক্তারি পড়ুয়ার সঙ্গেই এই আচরণ করত ওই কর্মী। যারা টাকা দিতে পারত না তাঁদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হত না। তিনি লেখেন সম্পূর্ণ বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ জানা সত্ত্বেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ওড়িশার বালেশ্বরে এক সরকারি কলেজের বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন এক পড়ুয়া। উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় এক মেডিক্যাল পড়ুয়ার আত্মহত্যার ঘটনাও নাড়িয়ে দেয় শিক্ষা জগৎকে। দেশজুড়ে বিগত কয়েকদিনে যৌন বা মানসিক হেনস্থার জন্য আত্মহত্যা করেছেন একাধিক ছাত্রী এবং সিংহভাগ ঘটেছে বিজেপি রাজ্যে। এর পরেই ডাবল ইঞ্জিন সরকারের প্রশাসনের ব্যর্থতার দিকে আঙুল উঠছে।










