
বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকা বসিরহাট মহকুমা বিশেষভাবে সংবেদনশীল অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। উক্ত পরিস্থিতিতে বসিরহাট জেলা পুলিশ একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম গঠন করেছে, যার মূল লক্ষ্য হলো সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিস্থিতির উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা ও নিরাপত্তাবোধ জোরদার করা। কন্ট্রোল রুমটি ২৪ ঘণ্টা সচল থাকবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে।
এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন বা অশান্ত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা, নির্দেশনা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। সীমান্ত অঞ্চলে যেকোনো গুজব বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করতে পারবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।
এই কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন শ্রী অপু দাস, ইনস্পেক্টর ইন চার্জ, কন্ট্রোল রুম, বসিরহাট পুলিশ জেলা (Basirhat Police District)। তাঁর নেতৃত্বে একটি প্রশিক্ষিত টিম কাজ করবে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য।
জরুরি যোগাযোগের তথ্য:
সাধারণ জনগণ নিচের নম্বরগুলির মাধ্যমে কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে:
ল্যান্ডলাইন (কন্ট্রোল রুম):
03217-264666 / 03217-264789
মোবাইল নম্বর (কন্ট্রোল রুম):
8392031805
ও.সি., কন্ট্রোল রুম, বসিরহাট পি.ডি.:
9147888185
ইনস্পেক্টর, কন্ট্রোল রুম, বসিরহাট পি.ডি.:
9874763663
বসিরহাট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নাগরিকদের উদ্দেশ্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে যে তারা যেন গুজবে কান না দেন এবং যেকোনো সন্দেহজনক ঘটনা বা তথ্য অবিলম্বে কন্ট্রোল রুমে জানান। একইসাথে, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই উদ্যোগ বসিরহাট জেলা পুলিশের একটি সময়োপযোগী এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপ। যুদ্ধ পরিস্থিতির সম্ভাবনার মধ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও তথ্য সহায়তার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে প্রশাসনিক মহল থেকে। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটরিং এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ সহজতর হবে, যা সামগ্রিকভাবে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়ক হবে









