নবান্ন অভিযানের নাম করে শহর জুড়ে অশান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরী করার অপপ্রচেষ্টা বিজেপির! শনিবারের নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে গোট শহরে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তার পর কলকাতা পুলিশ এবার বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা, অগ্নিমিত্রা পাল-সহ একাধিক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে মোট সাতটি এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে অভিযানের সময় পাঁচজন পুলিশকর্মী এদিন গুরুতর জখম হন। জহরলাল নেহেরু রোডে পুলিশের ওপর হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্তকরণের কাজ চালানো হচ্ছে। ৫ পুলিশকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন, এএসআই জগবন্ধু সাহু, কনস্টেবল নিমাই মণ্ডল ও একজন হোমগার্ড। অন্যদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, অভিযানে শান্তিপূর্ণভাবে অংশ নেওয়া সত্ত্বেও পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। এমনকি, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের নিহত চিকিৎসক ছাত্রীর মা–বাবাকেও নাকি মারধর করা হয়েছে। যদিও তাঁদের মারধর করার কোন প্রমান এখনও তিনি দিতে পারেন নি। ওদিকে নগরপালকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করে শুভেন্দুর অভিযোগ, মনোজ ভার্মার পুলিশ অভয়ার মা–বাবাকেও ছাড়েনি। তিনি আরও দাবি করেন, পুলিশের হামলায় শতাধিক মানুষ জখম হয়েছেন এবং জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র যে একেবারেই অন্য সেই দৃশ্যও প্রমান হয়ে গিয়েছে একাধিক ফুটেজ ও ছবিতে। রাজনৈতিক মহলের দাবি এই ধরণের রাজনৈতিক মদতপুষ্ট অভিযানের পর অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের ফলে চড়ছে পারদ যার ফলে রাজ্য জুড়েই রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে চলেছে।

আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী
আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী ।বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার গোকনা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আলামিন মন্ডল নামে বাগদা থানার









