বিজেপি-শাসিত ডবল ইঞ্জিন রাজ্য মধ্যপ্রদেশ। এই মুহূর্তে সেই রাজ্য দলিত নারী ও শিশুদের জন্য নরককুণ্ডে পরিণত হয়েছে। পরিসংখ্যান তুলে এবার সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে মধ্যপ্রদেশে পাঁচ বছরে ৩৪ হাজার ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে যা আগের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি। বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে এই বেড়ে চলা নারীধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশ। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী গত পাঁচ বছরে রাজ্যে ৩৪ হাজার ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৩৪ শতাংশ নির্যাতিতাই পিছিয়ে পড়া শ্রেণির।উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র-সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নারীনির্যাতন ও নারীধর্ষণের ঘটনা গত কয়েকবছরে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। পুলিশের প্রতি মানুষের ভয় কমে যাওয়া এবং অপরাধীদের মাথার উপর প্রশাসনের হাত থাকার ফলেই ধর্ষণের মতো অপরাধমূলক ঘটনা বাড়ছে বলে মনে করছে শুধুমাত্র রাজনৈতিক মহল নয় স্থানীয় বাসিন্দারাও। মধ্যপ্রদেশে বিধানসভায় সরকারের তরফে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল যা রীতিমতো ভয়ের কারণ হয়ে উঠেছে। এই মর্মে নিজেদের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ক্ষোভপ্রকাশ করে লেখা হয়, ”বিজেপি-শাসিত ডবল ইঞ্জিন রাজ্য মধ্যপ্রদেশ এখন দলিত মা-বোনেদের জন্য হয়ে উঠেছে নরক। মধ্যপ্রদেশে দিনে গড়ে ৭ জন তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলা ধর্ষণ হচ্ছেন।বিজেপি-শাসিত মধ্যপ্রদেশে নারী নিরাপত্তার চিত্র ভয়াবহ। রাজ্য বিধানসভাতেই স্বীকার করেছে সরকার—➡️ ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৭,৪১৮ জন তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং ৫৫৮ জন খুন হয়েছে➡️ শেষ তিন বছরে ৪৪,৯৭৮ জন তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে ➡️ দেশজুড়ে মহিলাদের উপর অত্যাচারের তালিকায় একাধিকবার শীর্ষে থেকেছে মধ্যপ্রদেশএরা কোন মুখে নারী সুরক্ষার কথা বলে? বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও এখন প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়।”

আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী
আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী ।বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার গোকনা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আলামিন মন্ডল নামে বাগদা থানার









