সোমবার একুশের মঞ্চ থেকে ফের একবার ভাষা আন্দোলনের ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিনক্ষণও জানিয়ে দিলেন তিনি। তিনি বলেন, “বাংলায় কথা বলার জন্য দেখুন কত লোককে ডিটেনশন ক্যাম্পে লোক দিয়েছে। কত মানুষকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে, কত মানুষকে রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশের জেলে আটকে রেখেছে।” তিনি অভিযোগ করেন, বিহারে প্রচুর মানুষের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে। আর বাংলায় যদি এমন হয় তাহলে ‘ঘেরাও কর্মসূচির’-ও ডাক দেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২০২৬ পর আমিও দেখব তোমরা (BJP) কোথায় থাক। বাংলাকে বদল করতে গিয়ে, ভারত সরকারের বদল হবে না তো? আগামী দিন দিল্লিকে পরিবর্তন করতে হবে। শহিদ রক্তে তর্পণ করে বলছি তোমাদের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই থামবে না। ২৭ জুলাই নানুর দিবস। সেই দিনের পর থেকে টানা ভাষা আন্দোলন শুরু হবে।”
একনজরে তৃণমূল সুপ্রিমোর ঘোষিত আন্দোলন কর্মসূচি
• ২৭ জুলাই: নানুর দিবস থেকে ভাষা রক্ষার শপথ
• ২৭ জুলাইয়ে পর থেকে প্রতি শনি-রবিবার: বাংলাভাষার উপর আক্রমণের প্রতিবাদে মিছিল-সভা
• ৯ অগাস্ট: আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন
• ৯ অগাস্ট: ব্লকে-ব্লকে আন্দোলন, স্লোগান “বিজেপি তুমি ভারত ছাড়ো”
• ১৫ অগাস্ট: প্রতিটি এলাকায় স্বাধীনতা দিবস পালন
• ২৮ অগাস্ট: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন
• তৃণমূলের কর্মসূচির দিনই পাল্লা দিতে সভা করে বিজেপি। সিএমের বাড়ি যায়। এবার থেকে দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতারা বাংলায় এলে পাল্টা সভা তৃণমূলের
তীব্র গর্জন করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “বাংলা বলার জন্য যদি কোনও বাঙালিকে গ্রেফতার করা হয় তাহলে আমি ছেড়ে কথা বলব না। প্রয়োজনে এই লড়াই দিল্লি অবধি নিয়ে যাব। আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব। আপনারা জানেন আমি কোনও লড়াই লড়লে শেষ দেখে ছাড়ি।”










