গত মঙ্গলবার এক হাড়হিম করা জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে যায় রাজধানী দিল্লিতে। মজনু কা টিলা এলাকায় এক তরুণী ও তার বান্ধবীর ছয় মাসের শিশুর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। দুইজনকেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে জানা গিয়েছিল পুলিশের তরফে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অবশেষে গ্রেফতার হল মৃতার প্রাক্তন প্রেমিক নিখিল কুমার। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক থাকলেও তাঁকে উত্তরাখণ্ড থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।নিহত তরুণীর নাম সোনাল। তবে শিশুটি ছিল সোনালের বান্ধবী রশ্মির কন্যা। সোনাল কিছুদিন আগে তাঁর প্রেমিক নিখিলের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে রশ্মির সঙ্গে এক বাড়িতে থাকছিলেন। সম্পর্ক না থাকলেও কয়েকদিন ধরেই সোনাল ও নিখিলের মধ্যে অশান্তি মারাত্মক আকার নেয়। ঘটনার দিন রশ্মি ছয় মাসের শিশুকে সোনালের কাছে রেখে বাইরে যান। বাড়িতে একাই ছিলেন সোনাল। সেই সুযোগে অভিযুক্ত নিখিল ওই বাড়িতে ঢুকে সোনালকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে খুন করেন। এখানেই শেষ নয়, রাগের বশে নির্মমভাবে খুন করেন ছয় মাসের শিশুটিকেও। খুন করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান নিখিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিভিল লাইনস থানার পুলিশ, ফরেনসিক ইউনিট ও ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল। বুধবার হলদোয়ানি থেকে অভিযুক্ত নিখিলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, নিখিল ফুড ডেলিভারির এজেন্ট হিসেবে কর্মরত। সোনাল তার বান্ধবীর স্বামী দুর্গেশ কুমারের সঙ্গে কোনভাবে লিপ্ত মনে করতেন নিখিল। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (উত্তর) এই বিষয়ে জানিয়েছেন, সম্প্রতি সোনাল অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেন। নিখিল মনে করেন সোনালকে সাহায্য করেছে দুর্গেশ। প্রতিশোধ নিতে মঙ্গলবার একটি সার্জিক্যাল ব্লেড কিনে দু’জনকে হত্যা করেন তিনি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে সোনাল এবং নিখিলের প্রথম দেখা হয়েছিল ২০২৩ সালে হলদোয়ানিতে। ২০২৪ সালে সোনাল এক সন্তানের জন্ম দেয় এবং শিশুটিকে উত্তরাখণ্ডে বিক্রি করে দেয় তাঁরা। এই ঘটনার পর নতুন করে তাঁরা ওয়াজিরাবাদে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।

আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী
আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী ।বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার গোকনা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আলামিন মন্ডল নামে বাগদা থানার









