কসবার সরকারি ল কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি উঠেছে ইতিমধ্যেই। যদিও নির্যাতিতার পরিবার সিবিআই তদন্তে আপত্তি জানিয়ে প্রথম থেকেই কলকাতা পুলিশের উপরই আস্থা রাখছে। প্রথম থেকেই অপরাধীদের নিয়ে কোনরকম আপোষ করেনি কলকাতা পুলিশ। এই নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে কলকাতা পুলিশ। পাঁচ সদস্যের ওই তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ শহরতলি) প্রদীপকুমার ঘোষাল। এবার কলকাতা পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘটনাটি সম্পর্কে সকলকে অবগত করে জানানো হল, ”১২ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে এফআইআর-এ নাম উল্লেখিত তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রমাণের ভিত্তিতে আরও একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতিতা এবং অভিযুক্তদের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনাস্থলের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গোটা ঘটনার তদারকি করছে। কলকাতা পুলিশ অপরাধীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং নির্যাতিতা যাতে দ্রুত ন্যায়বিচার পান সেটা নিশ্চিত করবে।”প্রসঙ্গত, রবিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। কলেজের বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে দাবি করছে ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এছাড়া নিশ্চিত করতে হবে নিরাপত্তা। যদিও এই বিষয়ে প্রথম থেকেই তৎপর কলকাতা পুলিশ।

আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী
আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী ।বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার গোকনা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আলামিন মন্ডল নামে বাগদা থানার









