কসবার আইন কলেজে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় জাতীয় মহিলা কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে পদক্ষেপ করল । এই ব্যাপারে কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মার সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে তারা।ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা তিন দিনের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট আকারে কমিশনের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে কসবার আইন কলেজের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই বিবৃতি জারি করে মহিলা কমিশন। তারা জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে পদক্ষেপ করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রহাটকর এই ব্যাপারে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে চিঠি লিখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে আইন অনুযায়ী যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।
ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে কসবা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে মূল অভিযুক্তকে প্রথমে ‘এম’ বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল। পরে ধৃতদের নাম প্রকাশ পায়। তাতে দেখা যায়, ‘এম’ হল মূল অভিযুক্তের নামের আদ্যক্ষর। দাবি, মূল অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা।
কসবার ধর্ষণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এরপরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বছরখানেক আগে আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এই ঘটনায় শাসকদলকে বিঁধতে শুরু করেছে এসএফআই। বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতৃত্বও।কসবার ধর্ষণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এরপরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বছরখানেক আগে আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এই ঘটনায় শাসকদলকে বিঁধতে শুরু করেছে এসএফআই। বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতৃত্বও।










