
পুরীর মন্দিরে মা বিমলাকে যে প্রসাদ নিবেদন করা হয় সেই ভোগই প্রভু জগন্নাথকে দেওয়া হয়। তাতেই সেই ভোগ পরিণত হয় মহাপ্রসাদে। দীঘার জগন্নাথ মন্দিরেও সেই রীতিই মানা হচ্ছে। বিমলাকে নিবেদন করা ভোগ নিবেদন করা হয় মহাপ্রভুর সামনে। সেই ভোগ মহাপ্রসাদে পরিণত হয়। সোমবার সকালে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের মহাপ্রভুকে নিবেদন করা সেই মহাপ্রসাদের খোয়া ক্ষীরই বিলি হবে রাজ্যজুড়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিপূর্বে সেই ঘোষণা করেছেন। সোমবার সকালের মধ্যেই কলকাতার নির্দিষ্ট জায়গা থেকে খোয়া ক্ষীর পৌঁছায় দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে। বেলা সাড়ে ১১টায় সেই খোয়া ক্ষীর ভোগ হিসাবে নিবেদন করা হয়। এরপর এই মহাপ্রসাদই রাজ্যের জেলায় জেলায় বিলির জন্য পাঠানো হবে।প্রসাদের গজা আর পেঁড়ার সঙ্গে খোয়া ক্ষীরের তৈরি সন্দেশই উঠবে রাজ্যজুড়ে মানুষের হাতে হাতে।









