দেশের ৩২ বিমানবন্দর ১৫ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকছে। অন্যান্য এয়ারপোর্টেও নিরাপত্তা বেশ কড়া। বাদ যায়নি কলকাতা বিমানবন্দরও। বাতিল কলকাতা বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ কর্মীদের ছুটি। যাঁরা ছুটিতে রয়েছেন তাঁদেরও দ্রুত ফিরতে বলা হয়েছে। ভারত-পাক উত্তেজনার আবহে প্রতিনিয়ত যাত্রী সংখ্যা কমছে।
৯ তারিখ ১৬৩ বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে ঢোকে আর সেখানে যাত্রী সংখ্য়া ছিল ২৬ হাজার ৬১৮। অন্যান্য দিন এই ক্ষেত্রে প্রায় ৪০ হাজারের বেশি যাত্রী দেখা যায়। এই ধরনের অন্তর্দেশীয় বিমানের ক্ষেত্রে ৯ তারিখ কলকাতা থেকে যেগুলো উড়েছিল তাতে যাত্রী সংখ্য়া ছিল ২৪ হাজার ৯৭৮। মোট ১৬৪ টি বিমান সেদিন কলকাতা থেকে ছেড়ে যায়। এক্ষেত্রে অন্যান্য সময় যাত্রী সংখ্যা থাকে ৪০ হাজারের উপরে।
২৩টি আন্তর্জাতিক বিমান যেসব কলকাতায় আসে তাতে মোট যাত্রী ছিল ২৮৮৫। কলকাতা থেকে ছেড়ে যায় ২২টি বিমান আর সেখানে যাত্রী সংখ্যা ৩৪০৪ জন। অন্য়ান্য দিন দুই ক্ষেত্রে মোট যাত্রী সংখ্যা থাকে প্রায় ১০ হাজারের কাছাকাছি। গত ৫ দিনে কলকাতা বিমানবন্দরে ফুটফল ছিল ৭০ হাজারের কাছাকাছি। পরিস্থিতি বুঝেই অবস্থা এমন বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই লেডার পয়েন্টে চেকিং বাড়ানো হয়েছে। বিমানবন্দরে ঢোকার পাসও বাতিল করা হয়েছে।










