প্রাথমিকের চাকরি বাতিল মামলায় সেই সময়ের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিচার পদ্ধতি নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে সরব প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত এদিন প্রশ্ন করেন, কীসের ভিত্তিতে তৎকালীন বিচারপতি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছিলেন, যে টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হয়েছে? যাঁদের টাকা আছে তারা চাকরি কিনেছে?
এরপরেই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী প্রশ্ন করেন, “এটা দুর্নীতির অভিযোগে মামলা। একজন বিচারপতির কি নিজস্ব উপলব্ধি থাকতে পারে না?” অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রত্যুত্তরে বলেন, “উপলব্ধি থাকতেই পারে। কিন্তু উনি আগেই ঠিক করে নিয়েছিলেন যে কী নির্দেশ দেওয়া হবে। ফলে সেই পথেই মামলা পরিচালিত করেছেন।”
তিনি এই কথাও বলেন, “তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় চাকরিপ্রাপকদের ডেকে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। এটা কি করা যায়?” আদালতে সওয়াল, “তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশে জানিয়েছিলেন, আদালতের কাছে এটা প্রমাণ হয়েছে যে অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি। কী করে এটা প্রমাণ হল ? কে প্রমাণ করল? আমাদের কাছে নথি আছে যে অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়েছে।”










