২২ এপ্রিলের ঘটনা ঘুম কাড়ল গোটা দেশবাসীর। আচমকাই পাল্টে গিয়েছিল বৈসরণের চেনা ছবি। গোটা দেশের মত এই ঘটনায় সরব হয়েছে বিনোদন জগৎ। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র কাশ্মীরি পণ্ডিত হলেন ভরত কল। এদিনের ঘটনায় শোকস্তব্ধ তিনি।
এই ঘটনায় তিনি বললেন, “গত তিন-চার বছর ধরেই কাশ্মীরের পর্যটন শিল্প সু’দিনের মুখ দেখেছিল। ১৯৮৯-এও টার্গেট কিলিং হয়েছে। টার্গেট কিলিং ওখানে নতুন কিছু নয়। তার জন্যেই তো এত মানুষ ওখান থেকে বেরিয়ে এলেন। কারণ তাঁদের অফিসে ঢুকে, খুঁজে মারা হতো। খুব দুঃখের। বড় দায়িত্ব রয়ে গেল তাদের খুঁজে বার করা। শুনলাম দু’জন ছিলেন। একজনকে নাকি বলা হয়েছে প্যান্ট খোলো, তারপর তাঁকে শুট করা হয়েছে। কঠিন শাস্তি দেওয়া উচিত। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। প্রতিটা মুহূর্ত আমায় ১৯৮৯টা মনে করিয়ে দেয়। আমি তো চাইব যেটা সৌদি আরবে হয় সেটাই করা হোক, রাস্তায় দাঁড় করিয়ে গুলি করা হোক। কাল সারা রাত ঘুমতে পারিনি, খালি মনে পড়ছে সেই মেয়েটার কথা, যাঁর স্বামীকে তাঁর চোখের সামনে মেরে ফেলা হল…। তাঁর যে কী মানসিক যন্ত্রণা, শুধু মাত্র তিনিই জানেন। খুব দুঃখের দিন।”










