শোভন চট্টোপাধ্যায় ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা চলছে অনেক বছর ধরেই। গত আট বছর ধরে নিম্ন আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চললেও কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় কোন সুরাহা পান নি। তবে এবার শেষ হতে পারে মামলা। আগামী চার মাসের মধ্যে ওই মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি আসানুদ্দিন আমানুল্লা এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ।
শোভন চট্টোপাধ্যায় এই মর্মে জানান, “উনি তো বলে বেড়াচ্ছিলেন বিশ বছর ধরে মামলা ঝুলিয়ে রাখবেন। সেটা আর চলবে না। ইনিয়ে বিনিয়ে মামলা ঝুলিয়ে রাখা যে চলবে না তা সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে। চার মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। আমি আশাবাদী যে সুবিচার পাব। সর্বোচ্চ আদালতের উপর আমার আস্থা রয়েছে”।
রত্না চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে যদিও জানান, “নিম্ন আদালতে আমার পাঁচজন সাক্ষীর বয়ান নিতে দেওয়া হয়নি। হাইকোর্টও সেটা বহাল রেখেছিল। আমার মনে হয়েছিল, এটা অন্যায়। তাই সুপ্রিমকোর্টে গিয়েছিলাম। কোর্ট বলেছে, এই পাঁচজন সাক্ষীর বয়ান নিতে হবে। অগস্টের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। শোভনের দাদা তো আমাদের বিয়ের আগে থেকেই আমাদের সম্পর্কের সবটা জানতেন। বিয়ের । যে পাঁচজন সাক্ষীর কথা আমি বলেছি, এরা আমাদের সম্পর্কের শুরু থেকে সবটা জানেন। ফলে ডিভোর্স মামলায় আমার নামে আদালতে যে সব মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে, এরা তার প্রমাণ দিতে পারবেন। ওরা পুরোটাই জানেন, কোথায় আমার দোষ, কোথায় ওনার দোষ। আমি খুশি শীর্ষ আদালত আমার আর্জি মঞ্জুর করেছে।”
রত্না চট্টোপাধ্যায়ের থেকে দ্রুত ডিভোর্স পাওয়ার ব্যাপারে প্রথমত থেকেই আগ্রহী শোভন কারণ তিনি বৈশাখীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চান। তবে রত্না বলেছিলেন, যে তিনি কোনওভাবেই ডিভোর্স দেবেন না। কিন্তু মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ে একটা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।










