আগামী ৩০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়া। সেদিনই দীঘায় উদ্বোধন হবে দীঘার জগন্নাথ মন্দির। এই উপলক্ষ্যে বুধবার নবান্নে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-সহ আরোও অনেকেই।
পশ্চিমবঙ্গে তৈরী হচ্ছে জগন্নাথ মন্দির। এই মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠানকে আকর্ষনীয় করে তুলতে নেওয়া হচ্ছে সমস্ত উদ্যোগ। একদিকে মন্দিরের ভক্তিভাব অন্যদিকে মেগা আয়োজন সবটাই বজায় রাখতে নেওয়া হচ্ছে উদ্যোগ। আগামী ২৮ এপ্রিল থেকেই দীঘা জগন্নাথ মন্দির ঘিরে শুরু হবে বিভিন্ন উৎসব। তার আগেই দীঘাতে পৌঁছে যাবে পুলিশ প্রশাসনের আধিকারীকেরা। দিঘার প্রচুর হোটেল বুক করা হচ্ছে। ২৭ এপ্রিল অরূপ বিশ্বাস, পুলক রায়, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, সুজিত বসু ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে দিঘা পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও যাচ্ছেন দিঘাতে। কার্যত এপ্রিলের ২৭ তারিখ থেকে সব রাস্তা মিলছে দিঘাতেই। তার আগে থেকে চলে যাবেন দিঘাতে। দিঘার প্রচুর হোটেল বুক করা হচ্ছে। দেশ বিদেশ থেকে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও আসবেন এই অনুষ্ঠানে। আসলে দিঘার এই জগন্নাথধামকে গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরার সবরকম উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে দীঘার জগন্নাথ মন্দির। এই মন্দির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে একাধিক কর্মসূচি। এক কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম হল মন্দিরের সামনের রাস্তা ঝাঁট দেওয়া হবে সোনার ঝাড়ু দিয়ে। সেই সোনার ঝাড়ু কেনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী খোদ নিজের আয়ের থেকে দিচ্ছেন ৫ লক্ষ ১ টাকা। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ এদিন মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যসচিবকে তার অ্যাকাউন্ট থেকে ওই চেক কেটে দিয়ে দেবেন। ২৯ এপ্রিল হবে যজ্ঞ। সেই যজ্ঞ চলবে ৪-৫ ঘন্টা ধরে। ৩০ তারিখে বেলা ১১টা নাগাদ হবে মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। এরপর হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ওড়িশি নৃত্য পরিবেশন করবেন নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। অনুষ্ঠান করতে উপস্থিত থাকবেন একাধিক নামী শিল্পীও।
অপরদিকে, যেসব পুণ্যার্থীরা জগন্নাথ মন্দির দর্শনে আসবেন তাদের জন্য করা হচ্ছে তাঁবুর ব্যবস্থা। এই তাঁবুর ব্যবস্থার কথা থেকেই মহাকুম্ভের কথাও উঠে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওখানেও তাঁবু ছিল। কিন্তু দুলাখ না আড়াই লাখ করে নেওয়া হয়েছে। আমরা কারও কাছে কোনও টাকা নেব না।










