প্রতিবারের মত এবছরও বর্ষার (Rain) আগে হতে চলেছে সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা। তবে এবছর কিছুটা বিশেষভাবেই করা হবে এই পরীক্ষা। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ত দফতর। ইতিমধ্যেই এবিষয়ে জারি করা হয়েছে একটি নির্দেশিকা। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সব সেতু পরীক্ষার কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভেঙে পড়েছিল মাঝেরহাট সেতু। সেই সময় প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল পূর্ত দফতরকে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বার ছোট ও বড় সব ধরনের সেতুর স্বাস্থ্যপরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ত দফতর। জানা গিয়েছে, বর্তমানে সারা রাজ্যে পূর্ত দফতরের অধীনে ২২০০-রও বেশি সেতু রয়েছে। উত্তরবঙ্গে এরমধ্যে ১৫০টি সেতু রয়েছে। এই সেতুগুলির অবস্থান জানতেই পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে দফতর।
গত ৩ এপ্রিল নবান্নে পূর্তমন্ত্রী পুলক রায় ও দফতরের সচিব অন্তরা আচার্যের উপস্থিতিতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তারপরেই এই নির্দেশ জারি করে দফতর। নির্দেশে বলা হয়েছে, সেতু খতিয়ে দেখার পর সেই সংক্রান্ত তথ্য ‘সমীক্ষা’ পোর্টালে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আপলোড করতে হবে।
জানা গিয়েছে, সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজের অগ্রগতির জন্য তিনটি জোনের মুখ্য ইঞ্জিনিয়ারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের এবিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পূর্ত দফতরের তরফে বিভিন্ন সেতুতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে হাইট বার বসানো থেকে শুরু করে ভারী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বা অন্যান্য ব্যবস্থা করা হবে। এখন প্রশ্ন উঠেছে এত সংখ্যক সেতু স্বাস্থ্য পরীক্ষা এই সময়ের মধ্যে করার জন্য পরিকাঠামো রয়েছে কি না। তবে এনিয়ে জেলাশাসকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা হচ্ছে বলে পূর্ত দফতরের তরফে জানানো হচ্ছে।










